প্রতিদিন ১৫ মিনিট ব্যায়াম করার উপকারিতা

জীবনকে সফল ও উপভোগ্য করতে এবং সর্বোপরি কর্মক্ষেত্রে সাফল্য পেতে ফিটনেস ধরে রাখতে হবে।

শরীর-স্বাস্থ্য ভালো থাকলে মনও থাকে প্রফুল্ল এবং কাজে দ্বিগুণ মনোযোগী হতে সকালের ব্যায়ামের বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ১৫ মিনিট হালকা ব্যায়াম করলে শরীরের ‘ম্যাজম্যাজ’ ভাব কেটে যায় শরীরে রক্ত চলাচল ঠিক রাখতেও সকালের ব্যায়াম খুব গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিদিন ব্যায়াম করার উপকারিতা

আপনি চাইলে ভারী ব্যায়াম বা হালকা ব্যায়াম যেকোনোটি করতে পারেন। আপনার উদ্দেশ্য অনুযায়ী হালকা বা ভারী ব্যায়াম করুন।

১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

২. শরীরকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে

৩. যৌন জীবনে উপকারিতা

৪. ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়

৫. মন মেজাজ ভালো ও উৎফুল্ল রাখে

৬. মস্তিষ্ক, স্মরণ শক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে

৭. ঘুমের মান ভালো হয়

৮. কর্মস্পৃহা বাড়ায়

৯. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে

ব্যায়ামের উপকারীতা জানতে আপনার নিচের পোস্টটি পড়া উচিৎ:

প্রতিদিন ১৫ মিনিটের ব্যায়াম কেমন হওয়া উচিৎ

হাঁটাহাঁটি (Walking)

প্রতিদিন ১৫ মিনিট ব্যায়াম করার উপকারিতা

এটার চেয়ে সহজ ব্যায়াম আর নেই। তবে এটা অফিসে যাওয়া বা আসার পথে হাঁটাহাঁটি হলে তেমন কোনো কাজেই লাগবে না।

ব্যায়ামের উদ্দেশ্যে আপনাকে অবশ্যই মনস্থির করে আলাদাভাবে সময় দিতে হবে। হাঁটাহাঁটির জন্য পার্কে যেতে পারেন।

যদি পার্কে যেতে না পারেন তাহলে নিজের এলাকার রাস্তা, ব্যবহার করতে পারেন। সকালের বায়ু খুব নির্মল ও প্রচুর অক্সিজেন সমৃদ্ধ থাকে যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

যদি ওজন কমানোর লক্ষ্যে হাঁটতে চান, তাহলে আপনাকে কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটতেই হবে।

ওজন স্বাভাবিক হলে কমপক্ষে ১৫ মিনিট হাঁটুন, হাঁটার গতি এমন হবে যাতে শরীর আস্তে আস্তে ঘামিয়ে ওঠে।

প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫ মিনিট হাঁটার উপকারিতা

  • হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
  • নিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ বজায় থাকে।
  • অতিরিক্ত ওজন কমায়।
  • সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে।
  • হাড় মজবুত করে এবং ভারসাম্যের উন্নতি সাধন করে।

প্রতিদিন ব্যায়াম করার উপকারিতা

জগিং করতে পারেন

হাঁটাহাঁটির মতো দৌড়ানোর জন্যও পার্ক সবচেয়ে উত্তম জায়গা। পার্কে সম্ভব না হলে রাস্তা ব্যবহার করতে পারেন।

অতিরিক্ত ওজন কমাতে হলে আপনাকে অবশ্যই প্রতিদিন ৩০ মিনিট দৌড়াতে হবে। দৌড়ের গতি কখনই নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাবে না।

তাহলে খুব তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন। যাদের ওজন স্বাভাবিক, তারা কমপক্ষে ১০ মিনিট দৌড়াবেন।

যে বিষয়গুলো আমাদের খেয়াল রাখা দরকার

  • গতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
  • দৌড়ের Step-এর সঙ্গে breathing করুন, যেমন ধরুন ৪ স্টেপে শ্বাস ভরুন এবং পরবর্তী ৪ স্টেপে শ্বাস ছাড়ুন। এভাবে করলে কষ্ট কম হয়।
  • দৌড়ানোর সময় শরীরের ভর যেন গোড়ালির ওপর না পড়ে, পায়ের পাতার ওপর ভর দিয়ে দৌড়ানোর অভ্যাস করবেন।

দৌড়ালে শরীরের অতিরিক্ত ওজন খুব তাড়াতাড়ি হ্রাস পায়। Blood Circulation অনেক উন্নতি লাভ করে। ফলে শরীর-মন কর্মচঞ্চল থাকে, কাজে-কর্মেও গতি বৃদ্ধি পায় এবং শরীরে রোগ-জীবাণু বাসা বাঁধতে পারে না।

পায়ের মাংসপেশি ও হাড় অনেক মজবুত হয়। কোষ বিভাজিত হয়ে নতুন কোষ তৈরির গতি বাড়ে। ফলে ত্বক সুন্দর হয়।

হাঁটার ব্যায়ামের পাশাপাশি স্ট্রেচিং, পেটের ব্যায়াম ইত্যাদি করতে হবে। হাঁটার উপকারিতা পেতে স্ট্রেচিং, পেটের ব্যায়াম ইত্যাদিও প্রয়োজন।

Leave a Comment